March 2, 2024, 9:51 pm

বঙ্গবন্ধু হত্যায় আওয়ামী লীগ নেতারাই জড়িত: মির্জা ফখরুল

Reporter Name
  • আপডেট Thursday, August 17, 2023
  • 35 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঠাকুরগাঁও :: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকে শহিদ জিয়া নয় বরং আওয়ামী লীগের নেতারাই হত্যা করেছে। বেইমানি আপনাদের দলের রক্তেই রয়েছে। আপনারা আর আপনাদের দল দেশের জন্য কী ভালো করবেন। দেশের মানুষ আজ তা উপলব্ধি করছে। এ সময় তিনি আক্ষেপ করে বলেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী আমৃত্যু কারাবাস করলেন, তার বিচার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। বুধবার নিজ নির্বাচনি এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে আজ সরকারি চাকরির জন্য কেউ আবেদন করলে তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়। সরকারি চাকরি করতে তাদের ডিএনএ টেস্ট করা হয়, সে প্রার্থী আওয়ামী লীগ করে না বিএনপি। দেখা হয় সে প্রার্থীর পরিবারের লোকেরা কে কী দল করে। সরকারি চাকরি করতে হলে আজ প্রথম শর্তই হচ্ছে আওয়ামী লীগ করতে হবে। তা না হলে কোনো চাকরি হবে না।

তিনি বলেন, আমরা এ দেশের উত্তরের মানুষদের কথা মাথায় রেখে বরেন্দ্র প্রকল্প চালু করেছিলাম। উত্তরের জেলাগুলোতে বড় কোনো নদী না থাকায় চাষবাসে সেচ সমস্যা দূরীকরণের জন্য এ বরেন্দ্র প্রকল্পের জন্ম। আমরা এটাকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় রেখেছিলাম। অথচ এরশাদ সরকার এটাকে গ্রামীণ ব্যাংকের কাছে দিয়ে দেয়। পরবর্তীতে আমরা আবারও ক্ষমতায় এসে এটাকে পুনরুদ্ধার করি। এ প্রকল্পে উত্তরের জেলাগুলোর কৃষকরা সঠিক সময়ে চাষে সেচ পেয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল। অথচ এ প্রকল্পের আজ কী অবস্থা।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সময়ে বিদ্যুতের দাম ছিল প্রায় ৩ টাকা এখন ৭ টাকা, চালের দাম ছিল ১২ বা ১৪ টাকা এখন প্রায় ৭০ টাকা। এমনিভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম যেভাবে সরকার বাড়াচ্ছে তাতে জনগণ আজ চিন্তিত। 

নির্বাচনে জয়লাভ নিশ্চিত করতে ডিসি-এসপিদের রদবদল নিয়ে তিনি বলেন, এগুলোও এ সরকারের নীল নকশার অংশ। তারা কাকে কোথায় বসিয়ে নির্বাচন করলে ভালো হবে সে দিকটা সাজিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে আমরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, একতরফার নির্বাচন আর ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দেওয়া হবে না। তাতে আপনারা যতই নিজেদের নানা ছকে সাজিয়ে তুলুন না কেন।

আমাদের সাহস নিয়ে দাঁড়াতে হবে বলে তিনি বলেন, চুপ করে বসে থাকার মতো আর সময় নেই। রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে, সবকিছু দিয়ে এই ভোটচোর সরকারকে নামাতে হবে। তা না হলে দেশ রসাতলে যেতে আর বেশি দেরি লাগবে না। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈমুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমীন, সহ-সভাপতি বীর ম্ুিক্তযোদ্ধা নুর করিম, আল মামুন আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবু হোসেন তুহিনসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর