সাথী আক্তার, টঙ্গী :: টঙ্গীতে খাদিজা আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী সাদ্দাম হোসেন (৩৫)-কে আটক করা হয়েছে। খাদিজা মাদারিপুর থানার পূর্ব কালিকাপুর গ্রামের সেলিম খানের মেয়ে। টঙ্গীর গাজীপুরা এলাকার জনৈক বসির হোসেনের ছয় তলা বাড়ির নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে স্বামী সাদ্দামের হোসেনের সাথে ভাড়া বাসায় থাকতেন। মঙ্গলবার বিকেল গাজীপুরা সিকদার মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের এসআই কায়সার হাসান ফারুক ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, প্রায় ১০ বছর আগে শরিয়তপুর জেলার সাদ্দাম হোসেনের সাথে বিয়ে হয় খাদিজার। সাদ্দাম টঙ্গীর একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। মঙ্গলবার সকালে স্ত্রী খাদিজা ও ছেলে কাউসারকে (৯) বাসায় রেখে কাজে যান তিনি। প্রতিদিনের মতো শিশু সন্তানকে স্কুলে পৌঁছে দেন মা খাদিজা। দুপুরে খাবার খেতে বাসায় ফিরে দরজা বন্ধ পেয়ে স্বামী সাদ্দাম ফিরে যান কারখানায়। পরে বিকেলে কক্ষের সামনে শিশু কাউসারকে কাঁদতে দেখে এগিয়ে যান পার্শ্ববর্তী বাসার ভাড়াটিয়ারা। এ সময় ওই কক্ষের জানালা দিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। বিকেলে স্ত্রী খাদিজার মৃত্যু খবর পেয়ে স্বামী সাদ্দাম নিজ বাসায় ফিরে এলে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। লাশ উদ্ধার ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বামীকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।